শিক্ষাব্যবস্থা

চিরস্থায়ী হোক লটারির মাধ্যমে সরকারি স্কুলের ভর্তি প্রথা।

মোঃ মুশফিকুর রহমান•১৩ জুলাই, ২০২১
পড়ার সময়: 2 মিনিট
11 বার পঠিত
চিরস্থায়ী হোক লটারির মাধ্যমে সরকারি স্কুলের ভর্তি প্রথা।

ভর্তি পরীক্ষার নামে প্রতি বছর কোমলমতি শিশুদের উপর মানসিক নির্যাতন করা হয় যা দ্বিতীয় শ্রেণীতে থাকাকালীন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি আমরা।

এক শ্রেণীর ব্যাবসায়ীরা এই পরীক্ষার সুযোগ নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার মতো অবস্থায় চলে যায়। আর জেলার সব মেধাবীদের বাচাই করে শুধুমাত্র হাতে গোনা কয়েকটি স্কুলে ভর্তি করানো হয়। বাকি বিদ্যালয় গুলোতে দ্বিতীয় সারির শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। যা শিক্ষায় বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অসমতা সৃষ্টি করে৷

.

আর অমুক স্কুলে পড়ার কারনে আমি মেধাবী এই একটা চিন্তা শিক্ষার্থীদের মাথায় ডুকিয়ে দেয়া হয়। ফলে অন্য বিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিচু মনে করে, যা তাদের শিক্ষাজীবনে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

.

স্কুল নিয়ে মফস্বলে যে ধারনা, যদি চিরস্থায়ী ভাবে এই লটারি প্রক্রিয়া চালু হয়ে যায়, তাহলে মা বাবা আর সমাজ সবার মন মানসিকতা পরিবর্তন হতে বাধ্য। ঠিক যেমনটা কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অনলাইনে ভর্তি করা হয়। ভর্তি পরীক্ষার নামে অযথা কোনো মানসিক চাপ, দৌড়াদৌড়ি, ব্যবসা সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

.

তবে এই প্রক্রিয়া চিরস্থায়ী না হলে শুধু এই বছরের জন্য হলেই, ২০২১ সালের মেধাবী কিংবা পরিশ্রমীদের জন্য এটা অমানবিক সিদ্ধান্ত হবে। কারন যারা এ বছর লটারির মাধ্যমে ভর্তি হতে পারে নাই, তারা হয়তো পুনরায় ভর্তির জন্য এক বছর গ্যাপ দিবে, অথবা স্কুল জীবনটা তথাকথিত দ্বিতীয় সারির স্কুলে, দ্বিতীয় সারির ছাত্রদের সাথেই কেটে যাবে।

.

চিরস্থায়ী হয়ে যাক এই লটারির প্রথা। তবে এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা থাকাটা প্রয়োজনীয় । ভর্তি পরীক্ষার নামে বাচ্ছাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন বন্ধ হোক।

 

 

মতামত ও আলোচনা

আপনার মতামত দিন

মন্তব্য (0)

NDB Logo