ওয়েবসভা সম্পর্কিত সকল কার্যক্রমের তালিকা

কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান - নারীরা সবখানে সমান তালে অংশ নিয়েছে, ছাত্রলীগের হেলমেট বাহিনীর হাতে ঢাকার রাস্তায় বেধড়ক মার খেয়ে রক্তাক্ত হওয়া, তারপরে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত...

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলছে। এই সংকটের ফলে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে, আমাদের প্রধান উদ্বেগের জায়গাগুলো কী এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের বর্তমান প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় কী? বিশেষ করে, বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং জ্বালানি নিরাপত্তা কি হুমকির মধ্যে পড়ছে? এই বিষয়গুলো নিয়ে আগামিকাল শুক্রবার, ৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টায় আয়োজন করতে যাচ্ছি আমাদের ৬ষ্ঠ গণতন্ত্র-ওয়েবসভা। শিরোনামঃ "মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বাংলাদেশের অর্থনীতিঃ প্রভাব, চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ"।

পাঁচ আগস্ট ২০২৪ এ হাসিনা সরকারের বিদায়ের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অবনতির কারণ কি? এই নিবন্ধটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বন্দ্বের মৌলিক বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবে যা হাসিনা-পরবর্তী সময়ে উন্মোচন হয়েছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো বর্তমান বাংলাদেশ-ভারতের বৈরী সম্পর্কের কারণগুলি উদ্ঘাটন করা, ভারতীয় রাজনীতিবিদদের অবমাননাকর, আক্রমণাত্মক এবং হুমকিমূলক মন্তব্যের কারণ জানা,এবং ঐতিহাসিক সংঘাতের পুনরুত্থানের কারণগুলি খতিয়ে দেখা।


বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির জন্মের পর থেকে গত ৫৩ বছরে বারেবারে স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা ফিরে এসেছে। কখনো আমাদের সংবিধানকে কাটাছেড়া করে - দুমড়ে মুচড়ে নির্বাচিত শাসক স্বৈরাচারে রূপান্তরিত হয়েছে, কখনো সংবিধানকে স্থগিত করে অসাংবিধানিক উপায়ে সামরিক সরকার ক্ষমতা দখল করে, সেই অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করতে সংবিধানে কাটাছেঁড়া করেছে। আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যে গণতান্ত্রিক ও জনবান্ধব করা যায়নি, রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে ন্যুনতম গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি যে গড়ে ওঠেনি, তথা স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও যে আমাদের দেশটিকে গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি, তার মূলে কি রয়েছে সেই ৭২ সালে লিখিত ও ১৭ বার সংশোধিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান? সংবিধান বদলই কি সর্বরোগের মহৌষধ? আর এই সংবিধানের পরিবর্তনই বা হবে কি উপায়ে? একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রবর্তনে কোথায় পরিবির্তন দরকার? সেসবের সমস্ত বিষয়েই আছে কি জনগণের ঐক্যমত্য? এসব নিয়েই আমাদের এই ওয়েবসভাঃ "বাংলাদেশ ও সংবিধান"।

একদিকে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে এক নতুন রাজনৈতিক আয়োজন দরকার, দরকার সম্পূর্ণ নতুন ধারার রাজনৈতিক শক্তি, অন্যদিকে ঠিক তেমনি দরকার পুরাতন রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোরও নতুনভাবে নিজেদেরকে আবির্ভুত করা, নিজেদের বড় ধরণের সংস্কার। সুতরাং, নতুন দিনের নতুন বাংলাদেশ গড়বে যেই নতুন ধরণের রাজনৈতিক শক্তি, তার চেহারা ও প্রকৃতি কেমন হবে, আদর্শ-উদ্দেশ্য কেমন হবে, বা গঠন ও কর্মপদ্ধতি কেমন হবে? সে জায়গা থেকেই এ সময়ের ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, “কেমন রাজনৈতিক দল চাই?” বা “কেমন রাজনৈতিক দল দেখতে চাই?”, কিংবা একটু ঘুরিয়ে বললে, “কেমন রাজনৈতিক দল চাই না?”